হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডের একযোগে বদলির আদেশ জারি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বিদায়ে এবং উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে আগে থেকেই বিদ্যমান শূন্য পদের কারণে প্রশাসনিক সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মার্চ সিনিয়র সহকারী কমিশনার উম্মে সালমা রুমাইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ইউএনও লিটন চন্দ্র দে-কে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
একই দিনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাহবুবুল ইসলামকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে পদায়ন করা হয়। প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাহবুবুল ইসলাম মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইতোমধ্যে তার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। অন্যদিকে, ইউএনও লিটন চন্দ্র দে ৩ মার্চ পর্যন্ত তার কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজের বদলি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক রুটিন প্রক্রিয়া।”
এদিকে, বিদায়লগ্নে গত ২ মার্চ সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাহবুবুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি বাহুবলবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, কর্মকালীন সময়ে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং এই জনপদের মানুষের ভালোবাসা তার স্মৃতিতে অমলিন থাকবে।
একই সাথে দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বদলিতে উপজেলায় এক ধরনের প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, জনস্বার্থে ও দাপ্তরিক কাজের গতিশীলতা বজায় রাখতে দ্রুত নতুন কর্মকর্তাদের পদায়ন করা জরুরি।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments