Image description

পটুয়াখালীর দুমকিতে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ এবং বিয়ের দাবিতে চাপ সৃষ্টি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে শামিমা আক্তার আঁখি নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের একটি মামলার (নম্বর ১৭৫/২৬) ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে অন্তত তিন যুবকের কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে ১০ লাখেরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শামিমা আক্তার আঁখি দুমকি শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তিনি কৌশলে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলতেন এবং পরবর্তীতে অনৈতিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে বিয়ের দাবিতে চাপ সৃষ্টি করতেন। লোকলজ্জা ও মান-সম্মানের ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী স্থানীয় সালিস-মীমাংসার মাধ্যমে তাকে বিপুল পরিমাণ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। টাকা পাওয়ার পর তিনি আবার নতুন কাউকে লক্ষ্যবস্তু বানাতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, আঁখি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে এসব অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন। অনেক ক্ষেত্রে তিনি নিজেই বাদী হয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা ঠুকে দিয়ে অর্থ আদায় করতেন।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গ্রেফতারকৃত নারীর বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলিং ও অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও আদালতের পরোয়ানা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/ডিআর