বরগুনার তালতলীতে চিকিৎসকের ভুয়া পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অপচিকিৎসা করার দায়ে আমির হোসেন খান নামে এক ব্যক্তিকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অঙ্কুজান পাড়া এলাকায় পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আমির হোসেন খান দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ‘আল-আমিন ফার্মেসি’ নামে একটি দোকান খুলে সেখানে নিজেকে এমবিবিএস চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। তিনি কোনো বৈধ ডিগ্রি ছাড়াই রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দিতেন ও চিকিৎসা করতেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পাওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে ওই ফার্মেসিতে অভিযান চালান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
অভিযান চলাকালে আমির হোসেনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি স্বীকার করেন যে, তাঁর কোনো মেডিকেল ডিগ্রি বা সনদ নেই এবং তিনি কোনোদিন মেডিকেল কলেজে পড়াশোনাও করেননি। স্রেফ প্রতারণার উদ্দেশ্যে তিনি এই পরিচয় ব্যবহার করছিলেন। অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যক্তি ভুয়া পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়েছে। প্রতারণা ও অপচিকিৎসার দায়ে তাঁকে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।”
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments