কিশোরগঞ্জে ‘নতুন কুড়ি’ স্পোর্টসে অনিয়মের অভিযোগ: শিক্ষার্থীদের খেলা বর্জন
কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম মাঠে "নতুন কুড়ি" স্পোর্টসের এথল্যাটিক্স ইভেন্টের জেলা বাচাই পর্বে অনিয়মের অভিযোগ করেন বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত খেলোয়ার এবং তাদের কোচ ও ম্যানেজারগণ। স্টেডিয়াম মাঠেই খেলা বর্জন করেন শিক্ষার্থীরা।
কুলিয়ারচর, বাজিতপুর, হোসেনপুর ও তাড়াইলসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, খেলা শুরুর আগেই মাঠের মাইকিংয়ে বৈষম্যমূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়। সদর ও পৌরসভার খেলোয়াড়দের একপাশে এবং অন্যান্য উপজেলার খেলোয়াড়দের অন্যপাশে দাঁড়াতে বলা হয়। এরপর কোনো কাগজপত্র যাচাই না করেই কেবল শারীরিক গঠন বা উচ্চতা দেখে অনেক উপজেলা পর্যায়ের বিজয়ীকে বাতিল করে দেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার।
ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, "আমরা উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত হয়ে অনেক আশা নিয়ে জেলা পর্যায়ে খেলতে এসেছিলাম। কিন্তু আমাদের কাগজপত্র না দেখেই বড় বা লম্বা বলে খেলায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। অথচ সদর ও পৌরসভার অনেক বড় বড় শিক্ষার্থীকে কোনো বাছাই ছাড়াই খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।"
কুলিয়ারচর উপজেলার ইভেন্ট কোচ তাপস চন্দ্র দাস এবং অন্যান্য উপজেলার কোচরা জানান, এই প্রতিযোগিতার অনলাইন রেজিস্ট্রেশনে বয়স ১৪ বছরের একদিন বেশি হলেও আবেদন গ্রহণ করা হয় না। যথাযথ অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, জন্মনিবন্ধন এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়নপত্র থাকা সত্ত্বেও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়েছেন। তাদের দাবি, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র চোখের আন্দাজে বয়স বেশি বলে অযোগ্য ঘোষণা করা সম্পূর্ণ অন্যায়।
এ বিষয়ে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার বলেন, জন্মনিবন্ধনে ছবি যুক্ত না থাকায় অনেকে ভূল তথ্য দিয়ে আবেদন করে তাই বাতিল করেছি। এবং যারা অভিযোগ করেছে তাদেরকে আমার কাছে নিয়ে আসেন?
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মিজ্ সোহানা নাসরিন জানান, বিষয়টি শুনেছি। আমরা বিধি মোতাবেক এটা যাচাই করে দেখবো।




Comments