বিশ্ববাজারে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর আবারও স্বর্ণের দামে বড় সংশোধন লক্ষ্য করা গেছে। গত ২৯ ডিসেম্বর ইতিহাসের সর্বোচ্চ মূল্যে লেনদেনের পর মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে মূল্যবান এই ধাতুর দাম প্রতি আউন্সে প্রায় ১১০ ডলার কমেছে। ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের মুনাফা সংগ্রহের প্রবণতায় এই নিম্নমুখী ভাব তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট স্বর্ণের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৩৫ দশমিক ৬২ ডলারে নেমে আসে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দামও ৪ হাজার ৪৪৪ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৫৪৯ দশমিক ৭১ ডলারে পৌঁছেছিল।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও বড় পতন হয়েছে। স্পট রুপার দাম ২.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৬.০৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এইচএসবিসি’র পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সাল নাগাদ রুপার দাম আউন্সপ্রতি ৫৮ থেকে ৮৮ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।
বিশ্ববাজারের অস্থিরতার প্রভাব দেশের বাজারেও স্পষ্ট। বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত দর অনুযায়ী বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নিচে দেওয়া হলো:
২২ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা।
২১ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা।
১৮ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা।
সনাতন পদ্ধতি (প্রতি ভরি): ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।
বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, মার্কিন ডলারের অবস্থান শক্তিশালী হওয়া এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের ফলে স্বর্ণের বাজারে এই অস্থিরতা আরও কিছুদিন বজায় থাকতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments