Image description

দেশে গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি রেকর্ড করা হয়েছে চলতি বছরের মে মাসে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে।

রোববার (৭ জুন) প্রকাশিত বিবিএসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, টানা দ্বিতীয় মাসের মতো দেশে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে। এর আগে ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর পর এই হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.০৬ শতাংশে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৮.৩৯ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে এই হার ছিল ৮.৫৯ শতাংশ।

অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৭১ শতাংশে। গত এপ্রিল মাসে এই হার ছিল ৯.৫৭ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং উৎপাদন খরচ বাড়ার কারণে বাজারে নিত্যপণ্যের দামে চাপ বেড়েছে।

সরকার গত ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়। এরপর ৩১ মে আবারও দামে সমন্বয় আনা হয়। একই সময়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে, যা আগামী মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতিতে আরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির এই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও চরম আকার ধারণ করতে পারে।