Image description

একদিকে দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়, অন্যদিকে বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের প্রয়াণবার্ষিকী—১৭ ফেব্রুয়ারি দিনটি তাই বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এদিনই বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। একই দিনে ২০০৮ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক মান্না।

দিনটিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় একটি পুরোনো ছবি, যেখানে হাসিমুখে করমর্দন করতে দেখা যায় তারেক রহমান ও মান্নাকে। ছবিটি নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা। এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন প্রয়াত নায়কের স্ত্রী শেলী মান্না।

তিনি জানান, ছবিটি সম্ভবত ২০০২ সালের পরের কোনো সময়ের, যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে রমনার বটমূলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন মান্না। সেখানেই হঠাৎ তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা হয়।

শেলী মান্নার ভাষ্য অনুযায়ী, মান্না সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না; অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। তবে সেদিন তারেক রহমান আন্তরিকভাবে তার সঙ্গে কথা বলেন। আলোচনায় উঠে আসে চলচ্চিত্র, দেশ ও সংস্কৃতি, এমনকি তারকাদের সামাজিক দায়িত্বের বিষয়ও।

তিনি আরও জানান, তারেক রহমান অভিনয় নিয়ে মান্নার প্রশংসা করেছিলেন। পাশাপাশি দেশ ও সংস্কৃতি নিয়ে মতবিনিময় হয় এবং তারকাদের রাজনীতিতে এসে দেশের সেবায় ভূমিকা রাখার প্রসঙ্গও উঠে আসে। যদিও তাদের পরিবারে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল, ব্যক্তিগতভাবে তারা সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জন্ম নেওয়া মান্নার প্রকৃত নাম আসলাম তালুকদার। ১৯৮৪ সালে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন তিনি। পরবর্তীতে একাধিক ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয় করে ঢালিউডে নিজের শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন। সময়ের সঙ্গে আসলাম তালুকদার নামটি আড়ালে চলে গেলেও দর্শকের হৃদয়ে আজও অমলিন ‘মান্না’।

মানবকণ্ঠ/আরআই