Image description

রোজা শুরুর আগের রাতটা নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য যতটা আনন্দের হওয়ার কথা ছিল, বাস্তবে হলো ঠিক উল্টো। রাত বাড়তে না বাড়তেই নগরীর প্রায় সব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। চুলা জ্বলেনি, রান্না হয়নি। রাতের খাবার ও সাহরি দুটোই পড়ে গেছে অনিশ্চয়তায়।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে গলাচিপা, আমলাপাড়া, খানপুর, মিশনপাড়া, মাসদাইর, দেওভোগ-নগরীর একটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আকস্মিক এই পরিস্থিতিতে পড়ে কয়েক লাখ মানুষ।

দেওভোগের বাসিন্দা মারুফা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, সারাদিন কম চাপ ছিল, এখন চুলা একদমই জ্বলছে না। রাত ১২টা পার হয়ে গেল, অথচ সাহরির রান্নার কোনো খবর নেই।

রোজার আগে এমন অব্যবস্থাপনা মেনে নেওয়া যায় না।

বাড়িতে রান্না না হওয়ায় হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে ভিড় উপচে পড়েছে। রাত ১টার আগেই অনেক হোটেলে খাবার ফুরিয়ে যায়।

তিতাস গ্যাসের ফতুল্লা শাখার টেকনিশিয়ান আব্দুর রহীম জানান, ফতুল্লার পঞ্চবটী এলাকায় প্রধান সিএনজি স্টেশনের কাছে মূল পাইপলাইনে সংস্কারকাজ চলছে। তিনি দাবি করেন, বিষয়টি তিতাসের ওয়েবসাইটে আগেই জানানো হয়েছে এবং দ্রুত কাজ শেষ করে সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

তবে এই ব্যাখ্যায় ভুক্তভোগীরা সন্তুষ্ট নন। রমজানের প্রথম রাতে পাইপলাইন সংস্কারের সময় নির্বাচন এবং মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষকে না জানানো নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। গ্যাস দ্রুত না এলে প্রথম রোজার সাহরি থেকে বঞ্চিত হতে পারেন হাজারো মানুষ।