Image description

টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তীকে ঘিরে আইনি জটিলতা এবার নতুন মোড় নিয়েছে। জ্যোতিষী ও উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রীর দায়ের করা ২০ লাখ রুপির মানহানি মামলার জবাবে পাল্টা ২ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। আয়োজকদের দাবি, রাত সাড়ে ১০টায় মিমির পারফর্ম করার কথা থাকলেও তিনি মঞ্চে ওঠেন রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে। অনুষ্ঠানের অনুমতি রাত ১২টা পর্যন্ত থাকায় নির্ধারিত সময়ের পর আয়োজকরা অনুষ্ঠান বন্ধের অনুরোধ জানান। তনয় শাস্ত্রীর অভিযোগ, এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় এবং মিমি অপেশাদার আচরণ করেন।

তনয় শাস্ত্রী আইনি নোটিশের মাধ্যমে দাবি করেছেন, অনুষ্ঠানের জন্য নেওয়া ২ লাখ ৬৫ হাজার রুপি মিমিকে ফেরত দিতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক ও আর্থিক ক্ষতির জন্য ২০ লাখ রুপি এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে মিমির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি দাবি করেছেন, ওই অনুষ্ঠানে তাঁকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে। পরিস্থিতি প্রতিকূল দেখে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে দ্রুত মঞ্চ ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে তনয় শাস্ত্রী গ্রেফতার হন এবং ১৩ দিন কারাভোগের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান।

কারাগার থেকে বেরিয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তনয় শাস্ত্রী মিমির বিরুদ্ধে ২০ লাখ রুপির মানহানির মামলা করেন। এর ঠিক পরপরই কড়া জবাব দেন অভিনেত্রী। তিনি ২ কোটি রুপির পাল্টা মানহানি মামলা ঠুকে দেন এবং শর্ত দেন যে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তনয় শাস্ত্রীকে তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

বর্তমানে দুই পক্ষই আদালত ও প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখার কথা জানিয়েছেন। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি আইনি লড়াই এখন টালিউডে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/ডিআর