Image description

অবিশ্বাস্য, শ্বাসরুদ্ধকর, নাটকীয়, অকল্পনীয়, রোমাঞ্চকর...! কোনো শব্দ দিয়ে আসলে বর্ণনা করতে পারবেন না। চোখে লেগে থাকা বলতে যা বোঝায়, তেমনি এক বিস্ময়কর ম্যাচ মঞ্চায়িত হলো আটলান্টা স্টেডিয়ামে।

যেখানে থাকল আর্জেন্টিনার চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা ও দৃঢ় মানসিকতার অসাধারণ প্রদর্শনী আর ঘুরে দাঁড়ানোর ঐতিহাসিক নজির। অন্যদিকে চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের অসম্ভব সামর্থ্যের সাক্ষী হয়ে রইল মিসর।

তবে এই খেলা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী। খেলা শেষে সামাজিক মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তা শেয়ার করেন তিনি। ভিডিওতে ওমর সানী এক সমালোচকের কথা শুনছিলেন। তারপর তিনি বলেছেন, ‘আসলে ফুটবল সাপোর্ট আমিও করি, ফিল্মে আসার আগে আমি বেশ ভালো ফুটবল খেলতাম। সে অবধি যেতে পারিনি। তবে ফুটবল খেলাটা আমি বেশ ভালো বুঝি। প্রায় ১০-১২ টা ওয়ার্ল্ড কাপ দেখলাম, আলহামদুলিল্লাহ এখনো বেঁচে আছি’।

তবে ফিফার কর্মকাণ্ডে একদমই খুশি নন এই অভিনেতা। ফিফার কাজকে অমানুষিক এবং পৈশাচিক বলেছেন তিনি। তার মতে ইরান এবং মিশরের বিরুদ্ধে ফিফা অন্যায়-অবিচার করছে, যা খুবই দুঃখজনক।

ব্যাক্তিগত জিবনে ওমর সানী ব্রাজিলের সমর্থক। আর্জেন্টিনার ফ্যানদের প্রতিও তিনি উগ্রে দিলেন ক্ষোভ। তিনি বলেছেন, ‘ব্রাজিল হেরেছে, আমি কোনো অন্যায় এটাকে বলি না। ব্রাজিল খারাপ খেলেছে, মিস করেছে, এটা প্রাপ্য ছিল। আমি কষ্ট পেয়েছি। কিন্তু আর্জেন্টিনার কিছু নির্লজ্জ ফ্যানরা আছে, নির্লজ্জই বলব কিছু মনে করবেন না। তারা উল্লাস করছে বিজয়ের। এভাবে ল্যাং** হয়ে উল্লাস করার কোনো কারণ আমি দেখি না’।

এছাড়াও ফিফার উদ্দেশ্যে তিনি যোগ করেন, ‘ফিফার প্রেসিডেন্ট যা শুরু করেছে, আমি ওমর সানী বললাম, একটা সময় গিয়ে ফিফা নামের একটা সংগঠন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে ভাগ হয়ে যাবে কি না সেটাই আমি দেখছি। সেই অপেক্ষায় আমি আছি। এবং হায়েনারা যেমন ছিঁড়েফুঁড়ে খায়, ফিফার অবস্থাও তেমন হবে। ফিফাকেও ছিঁড়েফুঁড়ে খাবে। এটাই বাস্তবতা। এটা যা হয়েছে, অন্যায় হয়েছে। ভালো থাকবেন সবাই’।

ভিডিওর শেষে ওমর সানী বলেছেন, ‘যাই হোক, আমার কথা বোঝার ক্ষেত্রে কোনো জায়গায় কষ্ট পেয়ে থাকলে, ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। মেসিকে আমি খুব পছন্দ করি, তার মানে এই না... নির্লজ্জ একটা টিমকে সাপোর্ট করার নামে উল্লাস করা।’
মানবকণ্ঠ/এমআর