Image description

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে চালানো এক বিশেষ অভিযানে তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে মার্কিন বাহিনী। অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধবিমান ও একটি হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে মার্কিন প্রশাসনের দাবি, অভিযানে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি এবং লক্ষ্য অর্জনে তারা সফল ছিল।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) ফ্লোরিডার মার-আ-লাগোতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এসব তথ্য জানান।

জেনারেল কেইন বলেন, ‘অভিযানের সময় আমাদের একটি বিমান আঘাতপ্রাপ্ত হলেও সেটি উড্ডয়নক্ষম ছিল। প্রেসিডেন্ট যেমনটি বলেছেন, আমাদের সব কটি বিমান নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে এসেছে এবং অভিযানের পুরো সময়জুড়েই সেগুলো সচল ছিল।’ তিনি আরও জানান, মার্কিন আকাশ ও স্থল গোয়েন্দা দলগুলোর সরবরাহ করা তাৎক্ষণিক তথ্যের কারণে সেনারা জটিল পরিবেশে বড় কোনো ঝুঁকি ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করতে পেরেছে।

তবে মার্কিন বাহিনী যখন ভেনেজুয়েলা ছাড়তে শুরু করে, তখন তারা স্থানীয় বাহিনীর বড় ধরনের বাধার সম্মুখীন হয়। ড্যান কেইন জানান, প্রত্যাহারের সময় বেশ কিছু ‘আত্মরক্ষামূলক সংঘর্ষ’ ঘটে।

এদিকে সিএনএনের সাংবাদিক জ্যাক ট্যাপারের উদ্ধৃতি দিয়ে একটি সূত্র জানিয়েছে, শনিবার ভোরের এই অভিযানে কয়েকজন মার্কিন সেনা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং শার্পনেলের আঘাতে আহত হয়েছেন। তবে তাদের কারও আঘাতই জীবনসংকটজনক নয়।

এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমার জানামতে আমাদের কেউ নিহত হয়নি। কয়েকজন আহত হয়েছিল, কিন্তু তারা ফিরে এসেছে এবং বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় আছে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘একটি হেলিকপ্টার বেশ জোরালোভাবে আঘাত পেয়েছিল, কিন্তু সেটিকেও আমরা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। আমরা কোনো বিমান হারাইনি।’