ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের নাগরিকদের আকাশপথ বা স্থলপথ—কোনো মাধ্যমেই ইরান ভ্রমণ না করার জন্য কঠোরভাবে পরামর্শ দিয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং বিমান চলাচল আংশিক শুরু হওয়া সত্ত্বেও এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বর্তমানে যারা ইরানে অবস্থান করছেন, তাদের যত দ্রুত সম্ভব দেশটি ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তাদের সতর্কবার্তায় উল্লেখ করেছে, ‘ভারত ও ইরানের মধ্যে কিছু ফ্লাইট চালু হওয়ার খবরের পরিপ্রেক্ষিতে এবং পূর্ববর্তী সতর্কবার্তার ধারাবাহিকতায়, ভারতের নাগরিকদের আকাশপথে বা স্থলপথে কোনোভাবেই ইরান ভ্রমণ না করার জন্য দৃঢ়ভাবে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।’
উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো সত্ত্বেও আঞ্চলিক সংঘাত দিল্লি ও তেহরানের মধ্যে বিমান পরিষেবাকে প্রভাবিত করতে পারে, যা আকাশপথে ভ্রমণকারী নাগরিকদের জন্য সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে আকাশসীমার বিধিনিষেধ এবং পরিচালনগত অনিশ্চয়তা ইরান থেকে ও ইরানে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলকে প্রভাবিত করে চলেছে।’
এর পাশাপাশি, ভারতীয় দূতাবাস তাদের নাগরিকদের নির্ধারিত স্থল সীমান্ত পথ ব্যবহার করে ইরান ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করেছে। দূতাবাসের সঙ্গে নির্বিঘ্ন সমন্বয়ের জন্য দুটি নতুন ফোন নম্বরও ইস্যু করা হয়েছে।
এর আগের নির্দেশনায়, নাগরিকদের যত দ্রুত সম্ভব ইরান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছিল ভারত সরকার। ওই নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল এপ্রিলের শুরুতে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে হচ্ছিল।
এর আগে ২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল ভারত সরকার একই ধরনের একটি সতর্কবার্তা দিয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে সেই নির্দেশের ধারাবাহিকতায় এই চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হলো।




Comments