ছবি: ফক্স নিউজ
দুই দিনের ঐতিহাসিক শীর্ষ সম্মেলন শেষ করে শুক্রবার বেইজিং ত্যাগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
ওয়াশিংটনে ফেরার জন্য এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে বিমানবন্দরের টারম্যাকে ট্রাম্পের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত বিদায়ী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সফর শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে হওয়া আলোচনার ফলাফল নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত “চমৎকার সব বাণিজ্য চুক্তি”-র ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইরান ইস্যুতে দুই পরাশক্তি একই অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সে বিষয়ে তিনি এবং শি জিনপিং একমত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় শি জিনপিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে আগ্রহী এবং তিনি হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন।
সফল এই সফর শেষে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্রে আতিথ্য দিতে পারবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই চীন সফর এবং দুই নেতার মধ্যকার ব্যক্তিগত রসায়ন বাণিজ্য যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে দুই দেশের শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।




Comments