Image description

ভারতের পারমাণবিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো ভারত তাদের ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেডকে “অপারেশনালি ডেপ্লয়েড” বা সক্রিয়ভাবে মোতায়েনকৃত হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। এতদিন ভারতের নীতি ছিল শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং ক্ষেপণাস্ত্র আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ভূগর্ভস্থ মিসাইল সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে এসব ওয়ারহেড যেকোনো সময় উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে ভারতের পারমাণবিক বাহিনীর প্রস্তুতি ও কৌশলগত অবস্থানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভারতের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৯০টিতে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। এসব অস্ত্র দেশটির স্থল, আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতার সমন্বয়ে গঠিত ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অংশ।

সিপরাই-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা ও ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবেই ভারত নতুন এই কৌশল গ্রহণ করে থাকতে পারে।

তবে ভারত তার দীর্ঘদিনের “নো ফার্স্ট ইউজ” নীতিতে এখনো অটল রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই নীতি অনুযায়ী, ভারত প্রথমে পারমাণবিক হামলা চালাবে না; তবে কোনো আক্রমণের জবাবে পারমাণবিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি