ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রার বেশি তীব্রতার বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর ও গ্রামের ধ্বংসাবশেষ থেকে এ পর্যন্ত ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরও অন্তত ৭০০ জনকে। দেশের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটের দিকে মাত্র ৪০ সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারসহ দেশজুড়ে অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে। উপকূলীয় একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে এবং আতঙ্কিত বাসিন্দারা রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছেন। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভেনেজুয়েলার উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল, যেখানে দেশটির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার অবস্থিত।
২৪ জুন স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের জাতীয় দিবস এবং সেইন্ট জন ব্যাপটিস্টের জন্মদিবস উপলক্ষে দেশটিতে সরকারি ছুটি থাকায় অধিকাংশ মানুষ বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, দেশের অধিকাংশ ভবন ভূমিকম্প সহনশীল না হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি আরও ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে। যোগাযোগ ও তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বহু ভবন ধসে পড়েছে এবং আরও অনেক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় দেশজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ভূমিকম্পের পর থেকে রাজধানী কারাকাসের বড় অংশসহ বিভিন্ন শহর ও গ্রাম বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments