পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাযজ্ঞের ঘটনার তদন্তে গঠিত জাতীয় কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আজ রোববার (৩০ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের কাছে জমা দেওয়া হচ্ছে। আজই শেষ হচ্ছে এই কমিশনের নির্ধারিত মেয়াদ।
কমিশনের প্রধান ও বিডিআরের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) এ এল এম ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, ‘প্রতিবেদন জমার পাশাপাশি আজ সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় সংলগ্ন বিআরআইসিএম ভবনে একটি সংবাদ সম্মেলন করা হবে। সেখানে তদন্তের সার্বিক বিষয় ও প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হতে পারে।’
এর আগে গত ২৫ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে সাত সদস্যের এই কমিশন জানিয়েছিল, ‘পিলখানার হত্যাকাণ্ড ছিল দীর্ঘমেয়াদি ষড়যন্ত্রের ফল। এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও তাদের হাতে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল।’
কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সোমবার (১ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করার ঘোষণা দিয়েছেন নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরা। রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত রাওয়া ক্লাবের ঈগল হলে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়। ওই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও পুনঃতদন্তের দাবিতে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরা।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর সাত সদস্যের এই স্বাধীন জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। মেজর জেনারেল (অব.) এ এল এম ফজলুর রহমানকে সভাপতি করে গঠিত এই কমিশনে সদস্য হিসেবে রাখা হয় সামরিক বাহিনীর দুজন কর্মকর্তা, ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন করে শিক্ষক, সিভিল সার্ভিসের একজন এবং পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে।




Comments