Image description

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত।

সোমবার (১ জুন) বেলা সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন উভয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জুন) থেকে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এর আগে এদিন সকাল পৌনে আটটার দিকে কড়া নিরাপত্তায় প্রিজন ভ্যানে করে আসামিদের আদালতে আনা হয়। সোহেল রানাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে নারী হাজতখানায় রাখা হয়। বিচারক এজলাসে উঠলে তাদের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে।

গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের আলামত নষ্ট ও স্বামীকে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় রামিসার বাবা ও প্রতিবেশীসহ মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার শেষ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন রামিসার পরিবার ও মানবাধিকার কর্মীরা।

মানবকণ্ঠ/আরআই