দুই যুগ পর ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয়ভাবে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন হতে যাচ্ছে। জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (০৪ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী।
'জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে সংস্কৃতির বিকাশে করণীয়' শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
ত্রিশালের নজরুল অডিটরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টারে আজ শনিবার সকালর আয়োজিত এ সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এ কথা বলেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নিজের বক্তব্যে বলেন, ত্রিশালে ২০০৬ সালের পর জাতীয় পর্যায়ে নজরুল জন্মজয়ন্তী হচ্ছে না স্থানীয় সংসদ সদস্য সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করার পর এটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি জাতীয়ভাবে ত্রিশালে এবার নজরুল জন্মজয়ন্তী হবে। প্রধানমন্ত্রী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। তাই অনুষ্ঠানটি আকর্ষনীয় আয়োজন করতে পরিকল্পনা করুন, যেন সারা দেশে মডেল হয়।
প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে যদি আমরা উন্নতি করতে চাই তাহলে নতুন করে শুরু করতে হবে। আমাদের গ্রামেগঞ্জে সংস্কৃতির নানা ধরনের উপাদান ছড়িয়ে আছে, তা নিয়ে কাজ করতে হবে। ময়মনসিংহ বিভাগের সংস্কৃতি অঙ্গণকে মডেল করতে কী কী করা যায় তা নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা দরকার। দিনব্যাপী এ আয়োজনে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করে কাজ করা যাবে।
'জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে সংস্কৃতির বিকাশে করণীয়' শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক ছিলেন ত্রিশালের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান।
আরও বক্তব্য রাখেন ছিলেন; ফুলবাড়িয়া আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুল হাসান, ভালুকার সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ, ফুলপুর-তারাকান্দা আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. জাহাঙ্গীর আলম, রেঞ্জ ডিআইজি আতাউল কিবরিয়া প্রমুখ।
এতে বিভাগের চার জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগের সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা কালচারাল অফিসার, সংস্কৃতি অঙ্গন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ও অতিথিরা ত্রিশালে নজরুল স্মৃতিবিজড়িত স্থান গুলো পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারে দিক নির্দেশনা দেন।




Comments