শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে পরিচালনার দাবির বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকার জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত বিষয়ে আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। যমুনা ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও প্রথমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো বলপ্রয়োগ করেনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। তবে এ সময় কোনো ধরনের গুলি বা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি বলে সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে।
জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ রয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এ প্রেক্ষাপটে পুলিশ আইনানুগ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবেই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের বরাতে সরকার জানায়, এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে তাদের কারও শরীরে গুলির আঘাত নেই বলে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সঠিক নয় বলেও অন্তর্বর্তী সরকার দাবি করেছে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments