নির্বাচনে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে ফলাফল স্থগিত এবং পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন শেরপুর-১ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ তথ্য জানান।
ডা. প্রিয়াঙ্কা অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে তার নির্বাচনি প্রতীক ধানের শীষের ভোটের সংখ্যা কমিয়ে দেখানো হয়েছে। নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। লাঙল প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্টরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সমঝোতা বা ‘ম্যানেজ’ করেছে।
তিনি আরো বলেন, ভোটকেন্দ্রে অন্য দলের এজেন্টরা নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করতে পারলেও বিএনপির এজেন্টদের নানা উপায়ে হুমকি ও চাপের মুখে রাখা হয়েছে। এমনকি হিন্দু ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং একাধিক কেন্দ্রে তাদের কার্যক্রম ব্যাহত করা হয়েছে।
তার দাবি, ভোটের দিন ইচ্ছা করে ভোটারদের দীর্ঘ সময় লাইনে আটকে রাখা হয়েছিল, যাতে ভোটদানের গতি কমে যায় এবং শেষ পর্যন্ত ভোটের হার কম হয়। পুরো বিষয়টিকে তিনি একটি ‘পরিকল্পিত কৌশল’ হিসেবে অভিহিত করেন।
নির্বাচনের দিন এসব অভিযোগের বিষয়ে জানাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোনে অসংখ্যবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি বলে জানান ডা. প্রিয়াঙ্কা।
১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম ১ লাখ ২৭ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপির ডা. প্রিয়াঙ্কা ৭৮ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে আছেন দ্বিতীয় অবস্থানে।




Comments