Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি চলার মাঝেই নতুন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবন প্রস্তুত করার কাজ শুরু করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত ‘যমুনা’কে নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

বিগত সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’কে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন প্রধানমন্ত্রী কোথায় থাকবেন, তা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি ভূমিধস জয় পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হতে যাচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তিনি বর্তমানে গুলশানে অবস্থান করছেন। তবে নিরাপত্তা ও সংসদ ভবন থেকে দূরত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার সরকারি বাসভবনে ওঠার সম্ভাবনা বেশি।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, ‘আমরা যমুনাকে প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত করছি। সবকিছু ঠিকঠাকই আছে, তবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কোনো চাহিদা থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

এর আগে সংসদ ভবন এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন করার পরিকল্পনা করা হলেও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তা বাতিল করা হয়। তবে তারেক রহমান গুলশানের বর্তমান বাসভবন নাকি সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’কে বেছে নেবেন, তা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

এদিকে, রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত ২৯ নম্বর ভবনটি বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের পর থেকে কোনো বিরোধী দলীয় নেতা এই বাড়িতে না উঠলেও এবার সরকার এটি সংস্কার করে প্রস্তুত রেখেছে। তবে নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তাদের নেতারা সরকারি গাড়ি বা বাড়ি ব্যবহার করবেন না। বর্তমান পরিস্থিতিতে নবনির্বাচিত বিরোধী দলীয় নেতা এই বাসভবনটি ব্যবহার করবেন কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।

মানবকণ্ঠ/ডিআর