মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে গত এক মাসে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও তেলবাহী মোট ২৭টি জাহাজ পণ্য খালাস শেষে বন্দর ত্যাগ করেছে। বর্তমানে বন্দরে আরও চারটি জাহাজ খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আরও দুটি জাহাজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কাতার, আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, ওমান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব জ্বালানি নিয়ে জাহাজগুলো বাংলাদেশে আসছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এসব জাহাজকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং ও খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন করছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৫ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনে নতুন করে চারটি জাহাজ জ্বালানি নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে ২৫ মার্চ ওমান থেকে ৩ হাজার ৮০০ টন এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘বিডাব্লিওইকে বর্নহোম’। ২৬ মার্চ সিঙ্গাপুর থেকে ৩১ হাজার ২০৩ টন তেল নিয়ে এসেছে ‘গ্রান কুভা’ এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৭৮ টন এলএনজি নিয়ে এসেছে ‘এইচএল পাফিন’। আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার ৫৫১ টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ জাহাজটি বন্দরে পৌঁছেছে।
এছাড়া আগামী ৩১ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে ‘পিভিটি সোলানা’ এবং ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬৯ হাজার ৮৮১ টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ জাহাজটির বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, "দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বার্থিং সুবিধা দিচ্ছি। এ কারণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পণ্য খালাস করে জাহাজগুলো ফিরে যেতে পারছে।"
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments