Image description

দেশের পাঁচটি জেলায় বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) দিনভর নওগাঁ, ময়মনসিংহ, জামালপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলায় এসব মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতদের প্রায় সবাই কৃষক, যারা মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতের শিকার হন।

নওগাঁ: জেলায় সর্বোচ্চ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার নিয়ামতপুর ও মহাদেবপুর উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষকসহ এই তিনজন নিহত হন। মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, নিহতদের মধ্যে দিলিপ চন্দ্র বর্মন ও অনুকূল চন্দ্র মাহন্তের পরিচয় পাওয়া গেছে; অন্যজনের নাম এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ময়মনসিংহ: নান্দাইল উপজেলায় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আব্দুর রাশিদ (৬২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বিকেলে খারুয়া ইউনিয়নে রাজাবাড়িয়া বাজারের পাশে স্ত্রীকে নিয়ে ধান কাটার সময় বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাতের শিকার হন তিনি। এ সময় তার স্ত্রী অক্ষত থাকলেও আব্দুর রাশিদকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জামালপুর: দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ভুট্টা তোলার সময় বজ্রপাতে সোহেল মিয়া (৩০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ জহুরুল হোসেন জানান, বিকেলে বৃষ্টির সময় মাঠে অবস্থানকালেই বজ্রপাতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

কুড়িগ্রাম: নাগেশ্বরী উপজেলায় জমিতে ধান কাটার সময় মো. ওবাইদুল নামের এক কৃষক বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। বৃষ্টির মধ্যে সরাসরি তার ওপর বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

লালমনিরহাট: কালীগঞ্জ উপজেলায় ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করার সময় ইউসুফ আলী (৪০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মাঠ থেকে ভুট্টা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বজ্রপাতে মৃত্যুর এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরআই