মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মাধ্যমে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে: মির্জা ফখরুল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে অভিহিত করে জাতীয় সংসদে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাবও গৃহীত হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে এই ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপনকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর আমাদের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের নতুন উচ্চতা নির্দেশ করে। এই সফরের ফলে বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতির শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের এক দৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছেন। তিনি জনগণের কল্যাণে কাজ করছেন এবং পুরোনো রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি ভেঙে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। বিদেশ সফর শেষে বিমানবন্দরে জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি বন্ধ করে তিনি মিতব্যয়িতা ও কর্মমুখী রাজনীতির পরিচয় দিয়েছেন।”
সংসদে এই ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তারা প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক দূরদর্শিতার প্রশংসা করেন। আলোচনা শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ধন্যবাদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments