Image description

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) অবস্থিত মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারতে আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি) তিনি টাঙ্গাইলের সন্তোষে ঐতিহাসিক এই মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক সফর শুরু করবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি দেশে ফেরার পর এটিই হবে তারেক রহমানের ঢাকার বাইরে প্রথম আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সফর। উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্র করে সাজানো এই সফরে তিনি মোট ৯টি জেলা পরিদর্শন করবেন। সফরসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি সকালে তিনি মাওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন। একই দিনে তিনি সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

এরপর ১২ জানুয়ারি তিনি রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও সফর করবেন। ১৩ জানুয়ারি পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট সফর শেষে রাতে রংপুরে অবস্থান করবেন। পরবর্তীতে ১৪ জানুয়ারি বগুড়া হয়ে তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

সফরকালে তারেক রহমান মাওলানা ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ, নানী তৈয়বা মজুমদারসহ জুলাই বিপ্লব এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। এছাড়া তিনি আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন বলেও জানা গেছে।

তারেক রহমানের এই আগমন নিয়ে মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর নাইম বলেন, “মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারতে তারেক রহমানের আগমন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অঙ্গীকারের প্রতীক। এই সফর দেশবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করবে। তাঁকে স্বাগত জানাতে মাভাবিপ্রবি ছাত্রদল সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।”

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাজিদ হাসান দিপু বলেন, “তারেক রহমানের এই সফর দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাওলানা ভাসানীর আদর্শ ও ত্যাগের পথ অনুসরণ করেই জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন আরও বেগবান হবে। তাঁর উপস্থিতি ছাত্রসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষকে উজ্জীবিত করবে।”

এদিকে তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ সমগ্র টাঙ্গাইল জেলায় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। তোরণ নির্মাণ, ব্যানার-ফেস্টুন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমসহ মাজার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারেও তৎপর রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

মানবকণ্ঠ/ডিআর