Image description

পুরোনো ও পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি জনগণ আর চায় না—এমন মন্তব্য করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শুরুতে অনেকেই ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেও এখন পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। জনগণের প্রবল চাপেই তারা ধীরে ধীরে ‘হ্যাঁ’ বলতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, “ঠেলার নাম বাবাজি।”

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ আর দলীয় সরকার চায় না, চায় জনগণের সরকার। পরিবার, ব্যক্তি ও গোষ্ঠীভিত্তিক রাজনীতি জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে।

দেশে ছোটখাটো চুরির ঘটনায় মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হলেও বড় চোরদের কোনো শাস্তি হয় না—এমন অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দেশের ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। “আল্লাহ তৌফিক দিলে তাদের পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে হলেও সেই টাকা ফিরিয়ে আনা হবে,” বলেন জামায়াত আমির।

তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচন সাধারণ কোনো নির্বাচন নয়। এখানে দুটি ভোট—‘হ্যাঁ’ ও ‘না’। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, আর ‘না’ মানে গোলামি। ‘হ্যাঁ’ ভোটই মা-বোনদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।

যুবসমাজকে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, যুবকেরা কোনো ভিক্ষা বা বেকার ভাতা চায় না। ২০২৪ সালের আন্দোলনে তারা জীবন দিয়েছে কাজের অধিকার ও দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত গবেষণা বাজেট না পেলেও এই প্রতিষ্ঠান দেশকে অনেক কিছু দিয়েছে।

জনতার উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন, “আপনারা কি পুরোনো রাজনীতি চান? না। তরুণ-তরুণী, এমনকি শিশুরাও পরিবর্তন চায়। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি বিভাগীয় শহরকে স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”

মানবকণ্ঠ/আরআই