বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের ৪১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে। এতে ২৬টি বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যা মূলত যুবক ক্ষমতায়ন, নারীর নিরাপত্তা, প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গঠন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হয়েছে।
ইশতেহারের ২৬টি অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলো হলো:
• জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আপসহীন রাষ্ট্র গঠন।
• ন্যায় ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা।
• যুবকদের ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
• নারীর জন্য নিরাপদ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ।
• আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গঠন।
• সৎ নেতৃত্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র।
• প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও স্মার্ট সমাজ।
• বিভিন্ন সেক্টরে ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থান এবং সরকারি চাকরিতে ন্যায্য নিয়োগ।
• আর্থিক সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব ও স্বচ্ছ অর্থনীতি।
• সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ এবং কার্যকর গণতন্ত্র নিশ্চিতকরণ।
• রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার।
• জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ ও পুনর্বাসন।
• কৃষিতে প্রযুক্তি ব্যবহার বৃদ্ধি ও কৃষি বিপ্লব।
• ২০৩০ সালের মধ্যে ভেজালমুক্ত খাদ্য ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা।
• ক্ষুদ্র-মাঝারি ও ভারী শিল্প উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
• শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি ও নিরাপদ কাজের পরিবেশ।
• প্রবাসীদের ভোটাধিকার ও দেশ গঠনে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।
• নাগরিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য সুবিধা।
• আধুনিক ও সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা।
• শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার এবং বিনামূল্যে শিক্ষা।
• দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীলতা এবং মৌলিক চাহিদা পূর্ণ নিশ্চয়তা।
• যাতায়াত ব্যবস্থার সংস্কার ও আঞ্চলিক যোগাযোগ উন্নয়ন।
• নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য স্বল্পমূল্যে আবাসন।
• ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পূর্ণ বিলোপ ও সংস্কার অব্যাহত রাখা।
• সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নিরাপদ কর্মজীবন নিশ্চিতকরণ।
• স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের মাধ্যমে কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
জামায়াতের এই ইশতেহার মূলত যুবক, নারী, প্রবাসী এবং সাধারণ জনগণের কল্যাণ, প্রযুক্তি উন্নয়ন, সুশাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রিক।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments