আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) প্রকাশিত ৪৫৭ পৃষ্ঠার রায়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড ও আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়ার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আদালতের রায়ে দেখানো হয়েছে, তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে দমন-পীড়ন ও হত্যার নির্দেশনা কিভাবে দেওয়া হয়েছিল।
রায়ে সুনির্দিষ্ট দুটি অপরাধের অধীনে মোট ছয়টি ‘কাউন্ট’ বা ঘটনার বর্ণনা রয়েছে:
প্রথম অভিযোগ:
২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনের সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের
‘রাজাকার’ বলা ও উসকানিমূলক বক্তব্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য মাকসুদ কামালের সঙ্গে ফোনালাপে আন্দোলনকারীদের ফাঁসির নির্দেশ।
রংপুরে আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা।
দ্বিতীয় অভিযোগ:
১৮ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও জাসদ নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপে আন্দোলনকারীদের অবস্থান নির্ণয় ও হত্যার নির্দেশ।
চানখারপুলে ছয়জন আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা।
সাভারের আশুলিয়ায় ছয়জনকে হত্যা ও লাশ পোড়ানো।
এছাড়া মামলায় রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এই রায়ে দেখা যায়, শীর্ষ পর্যায়ের দমন-পীড়ন ও হত্যার পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সরাসরি সংযুক্ত ছিলেন আসামিরা, যা আদালত তাদের মৃত্যুদণ্ডের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments