Image description

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেছেন, “স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের এমন আয়োজন সত্যিই মুগ্ধ করার মতো। তৃণমূল পর্যায়ে এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে দেশের ফুটবল অনেক দূর এগিয়ে যাবে।”

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেটের বিশ্বনাথে পৌর শহরের বিশ্বনাথেরগাঁও গ্রামে পুষ্প সৌরভ স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠে ‘৩য় আন্তঃ ইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্ট’র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন ইউকে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে।

প্রথমবারের মতো বিশ্বনাথে এসে একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ উপভোগ করেন জাতীয় দলের এই তারকা। তরুণ ফুটবলারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “খেলা খেলতে হবে মন দিয়ে। একাগ্রতা থাকলে যেকোনো খেলোয়াড়ই একদিন নিজেকে বড় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।”

উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ফুটবল দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হয় লামাকাজী ইউনিয়ন ও বিশ্বনাথ ইউনিয়ন ফুটবল দল। নির্ধারিত সময়ে খেলাটি ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয়। প্রথমার্ধে মোবিনের গোলে লামাকাজী এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে জামালের গোলে সমতায় ফেরে বিশ্বনাথ ইউনিয়ন। পরবর্তীতে টাইব্রেকারে ৩-১ গোলের ব্যবধানে বিশ্বনাথ ইউনিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে লামাকাজী ইউনিয়ন।

ম্যাচ শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় ও সেরা গোলকিপার নির্বাচিত হন লামাকাজী ইউনিয়নের মোজাক্কির। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন বিশ্বনাথ ইউনিয়নের সিপন এবং সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন লামাকাজীর শাহাদৎ।

বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন ইউকের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি রুহেল মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা নূর হোসাইন, বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি আলহাজ্ব রইছ আলী, দশঘর ইউপি চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খানসহ স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন ধারাভাষ্যকার আব্দুল আহাদ ও মোহাম্মদ আলী লিটন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর