ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির ১৬ জন প্রার্থীর সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব প্রার্থীর নাম প্রকাশে আপাতত অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
দুদক সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের সম্পদের উৎস ও তার বৈধতা যাচাই করা হচ্ছে। তবে এ মুহূর্তে জামায়াতে ইসলামী কিংবা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে না।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানায়, এবারের সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৮৯১ জন প্রার্থী কোটিপতি। এর মধ্যে ২৭ জনের সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি। টিআইবির তথ্যমতে, এই ২৭ জনের মধ্যে ১৬ জন বিএনপির প্রার্থী এবং বাকি ৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যাদের সবাই বিএনপির নেতা। তবে গবেষণা সংস্থাটি কারও নাম প্রকাশ করেনি।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, টিআইবির প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতেই প্রাথমিকভাবে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে কমিশন। এ বিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, “আমরা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কাজ করি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে, নিজেকে ব্যবসায়ী পরিচয় দেওয়া এনসিপির প্রার্থী সারজিস আলমের হলফনামা ও আয়কর নথিতে তথ্যবিভ্রাট নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলেও তার বা এনসিপির অন্য কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুদক অনুসন্ধান করছে না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান চলমান থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো অনুসন্ধান নেই বলে দুদক জানিয়েছে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments