Image description

২০০৮ সালের পর প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছেন নতুন ভোটারদের মধ্যে ৩৭.৪ শতাংশ জামায়াতে ইসলামীকে পছন্দ করছেন। ২৭ শতাংশ ভোটার বিএনপি এবং ১৭ শতাংশ এনসিপিকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। ১৮.৬ শতাংশ ভোটার এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। এই তথ্য উঠে এসেছে ‘আনকভারিং দ্য পাবলিক পালস: ফাইন্ডিংস ফ্রম আ নেশনওয়াইড সার্ভে’ শীর্ষক জরিপে।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বুধবার (৪ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে সিআরএফের স্ট্র্যাটেজিক কো-অর্ডিনেটর জাকারিয়া পলাশ জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন। ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ১৮০টি আসনের ১১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

জরিপ অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রায় ৮ শতাংশ ভোটার এখনো অনিশ্চিত। লিঙ্গ, বয়স, শিক্ষা ও বসবাসের স্থানভেদে ভোটে অংশগ্রহণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি।

ভোটারদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে দুর্নীতি ও সুশাসন। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৭.৩ শতাংশ ভোটার দুর্নীতিকে দেশের প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ধর্মীয় বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন মাত্র ৩৫.৯ শতাংশ ভোটার।

ভোটাররা এমন নেতাদের বেশি পছন্দ করছেন যারা জনদরদি, দায়িত্বশীল ও কার্যকর। নির্বাচনের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সবচেয়ে প্রভাবশালী। অধিকাংশ ভোটার একাধিক মাধ্যম থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন।

তবে নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগও দেখা গেছে। ভোটকেন্দ্রে ভয়ভীতি প্রদর্শন, জালিয়াতি এবং ব্যালট দখলের আশঙ্কা সব রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে রয়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরআই