দেশ গঠন, গণতন্ত্র রক্ষা ও নারী শিক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আজ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারজয়ীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নারী শিক্ষার প্রসারে অনন্য ভূমিকার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়া ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আরও ১৯ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। শীঘ্রই মনোনীতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।
উল্লেখ্য, ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার’ বা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে। জাতীয় জীবনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
আগামী ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মনোনীতদের হাতে বা তাদের প্রতিনিধিদের কাছে এই পুরস্কার তুলে দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments