চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে একটি পাম্পে জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে অতর্কিত হামলার শিকার হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ। সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) মেডিক্যালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
চাকসুর নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমান বলেন, গত ৪ মার্চ মোটরসাইকেল নিয়ে ক্যাম্পাসে বেপরোয়াভাবে চলাচলের সময় দুই যুবক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে আহত করে। ওই সময় প্রক্টর অফিস ও নিরাপত্তা দপ্তরের উপস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মাসুম বিল্লাহও সেখানে ছিলেন। সেদিন ওই যুবকদের জরিমানা করা হয়েছিল এবং ধারণা করা হচ্ছে, সেই ক্ষোভ থেকেই মাসুমকে টার্গেট করা হয়। আজ রাতে মাসুম যখন হাটহাজারীর একটি ফিলিং স্টেশনে বাইকের তেল নিতে যায়, তখন ৭-৮ জন যুবক তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এসময় মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে থাকা ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমানও আহত হন।
এক ফেসবুক পোস্টে ভুক্তভোগী মাসুম বিল্লাহ লেখেন, গত ৪ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেপরোয়া গতিতে বাইক চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গুরুতর আহত করে চলে যায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সমঝোতা না করে শিক্ষার্থীদের উপরে সমঝোতার দায়িত্ব দেওয়া হয়। যার ফলস্বরূপ আজকে সমঝোতাকারী হিসেবে হামলার সম্মুখীন হতে হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরো লেখেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা চেয়ে গেলাম।
হামলার ঘটনায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে চাকসুর আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক রাব্বি তাওহীদ বলেন, এ ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমরা থানায় ৮ জনের নামে মামলা দায়ের করেছি। মামলায় প্রধান আরিফুল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। আর বাকি ৭ জনকে অজ্ঞাত হিসেবে রাখা হয়েছে।
চবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ঘটনা জানার পরপরই উপাচার্যের নির্দেশে থানায় মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি আহত মাসুম বিল্লাহর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।




Comments