একসময় আইসিটি ব্যবসায়ী থাকলেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে জীবনধারণের জন্য আমের ব্যবসায় নামা আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন। তার দাবি, আমের ব্যবসায় তাকে সবচেয়ে বেশি হয়রানি করেছে জামায়াতে ইসলামীর লোকজন। বুধবার (১ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
তারেক রহমান জানান, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সরকারি চাকরির ভাইভায় বারবার ব্যর্থ হয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে তিনি আমের ব্যবসা (এফ-কমার্স) শুরু করেন। শুরুতে অগ্রিম টাকা ছাড়াই ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ সুবিধা দেওয়ায় প্রচুর অর্ডার আসলেও তার একটি বড় অংশ ছিল ভুয়া। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বিরোধে টিকতে না পেরে জামায়াতের সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে ভুয়া অর্ডার দিয়ে তার ব্যবসায়িক ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে।
ব্যবসায়িক হয়রানির একটি বাস্তব উদাহরণ দিয়ে তিনি লিখেন, এক দলিল লেখকের স্ত্রী গোপালভোগ আম অর্ডার করে সাইজ নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে সেই ক্ষোভ থেকে প্রতিশোধ নিতে ওই দম্পতি অগ্রিম টাকা না দিয়েই ২ মণ আমের অর্ডার করেন। আম পাঠানোর পর তারা তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলে এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
তারেক রহমান জানান, পুলিশ হয়রানির বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই দম্পতিকে ডেকে পাঠায়। সেখানে পুলিশ সদস্যরা আমের গুণগত মান পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন আমগুলো অত্যন্ত সুস্বাদু। শেষ পর্যন্ত পুলিশ কর্মকর্তারাই ওই দম্পতিকে মাত্র ১০ কেজি আম দিয়ে বাকি পুরো আমের দাম মিটিয়ে দিয়ে রেখে দেন। হয়রানি ও লোকসান এড়াতে পরবর্তীতে ৫০০ টাকা অগ্রিম নেওয়ার নিয়ম চালু করেন বলে জানান এই রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments