Image description

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) চলতি বছরই তাদের ষষ্ঠ সমাবর্তন এবং প্রতিষ্ঠার ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে হীরক জয়ন্তী উদযাপন করতে যাচ্ছে। শনিবার (০২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫৭তম সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষের দিকে আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই উৎসব পালিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রুয়েটে সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় সমাবর্তন না হওয়ায় একাধিক শিক্ষাবর্ষের গ্র্যাজুয়েটরা মূল সনদপত্র থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। বিশেষ করে যারা বিদেশে উচ্চতর শিক্ষার জন্য আবেদন করছেন, তাদের মূল সনদপত্রের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় এই সমাবর্তন আয়োজন জরুরি হয়ে পড়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৯৬৪ সালে ‘প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়, রাজশাহী’ নামে এর যাত্রা শুরু। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে এটি ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি’ (বিআইটি) এবং ২০০৩ সালে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ‘রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ (রুয়েট) নামে রূপান্তরিত হয়। ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি গৌরবময় ৬০ বছরে পদার্পণ করেছে। এই দীর্ঘ পথচলায় রুয়েটের অসংখ্য প্রকৌশলী দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। মূলত নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির লক্ষ্যেই এই হীরক জয়ন্তী ও এলামনাই রিইউনিয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘রুয়েট পরিবারের জন্য ষষ্ঠ সমাবর্তন এবং হীরক জয়ন্তী একটি অত্যন্ত গৌরবময় ও আনন্দঘন মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। এই আয়োজন শুধু আমাদের স্নাতকদের সাফল্য উদযাপনই নয়, বরং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে দৃঢ় বন্ধন পুনর্গঠনের এক অনন্য সুযোগ। আমি আশা করি, এই মহাসমাবেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই ঐতিহাসিক আয়োজনে রুয়েটের সকল সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীকে অংশ নেওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে।

মানবকণ্ঠ/ডিআর