Image description

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামক মহিষ নিয়ে সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগকে ‘দূরদর্শী ও রণকৌশলী’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দিবাগত রাত ৩টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘মহিষ ডিপ্লোম্যাসি’ বা মহিষ-কূটনীতি হিসেবে অভিহিত করেন।

ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে লিখেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামক মহিষ নিয়ে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে আমি সাধুবাদ জানাই। এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি অত্যন্ত দূরদর্শী ও রণকৌশলী পদক্ষেপ। সেই সঙ্গে তিনি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর প্রাণীর প্রতি অসীম ভালোবাসা ও সাহসিকতারও প্রশংসা করেন।

এনসিপির এই নেতা তাঁর পোস্টে দাবি করেন, এই মহিষ মূলত আমেরিকার সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিরই একটি অংশ। তিনি লিখেন, ‘সরকার এর মাধ্যমে জানান দিল যে, হায়ার করা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি. খলিল সাহেব আমেরিকার সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছেন, তার ধারাবাহিকতায় এই মহিষ ডিপ্লোম্যাসি। চুক্তি অনুযায়ী সরকারকে আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করতে হবে, আর তারই নিদর্শন হিসেবে এই মহিষকে চিড়িয়াখানায় রাখা হয়েছে যাতে দেশবাসী প্রতিনিয়ত এটি দেখে আমেরিকাকে স্মরণ করতে পারে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই উদ্যোগ পশুপ্রেমীদের মন জয় করার পাশাপাশি বাংলাদেশের চিড়িয়াখানাকে সমৃদ্ধ করেছে এবং আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তিকে আরও টেকসই করেছে। তাঁর মতে, এটি ভারতের গো-রক্ষা আন্দোলনকেও প্রভাবিত করেছে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকেও ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।

সবশেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এই উদ্যোগের সাফল্য উদযাপনে একটি বিচিত্র দাবি জানান। তিনি প্রাণী মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সরকারি অর্থায়নে প্রতিটি ইউনিটে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা ও অভিনন্দন মিছিল’ আয়োজনের জোর দাবি তুলেছেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এই মন্তব্য ও দাবির পর রাজনৈতিক মহলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক কৌতূহল ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরআই