শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের উদ্যোগে রাজধানীর বিএফডিসি গেটে পাঁচ শতাধিক দুস্থ মানুষের মাঝে বস্ত্র (শাড়ি ও লুঙ্গি) বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) সকালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মঈন খান বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের রূপকার। তাঁর দেওয়া রূপকল্পই চলচ্চিত্রে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনিই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও চলচ্চিত্র অনুদান প্রথা প্রবর্তন করেছেন। বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট ও ফিল্ম আর্কাইভের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান তাঁরই হাতে গড়া। বিটিভিকে সাদাকালো থেকে রঙিন করা এবং বিএফডিসি আধুনিকায়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।” তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, তখনই দেশের চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও বরেণ্য চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল বলেন, “বিগত ১৭ বছরে পরিকল্পিতভাবে এফডিসিকে ধ্বংস করা হয়েছে। বিএনপি চলচ্চিত্রের যে উন্নয়নের ভিত গড়েছিল, তা ফ্যাসিস্ট সরকার শেষ করে দিয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সবাইকে সাথে নিয়ে আবারও চলচ্চিত্রের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনব।”
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের সভাপতি ও প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলম খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম মেঘ।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়িকা রোকেয়া সুলতানা কেয়া, চিত্রনায়ক আবির চৌধুরী, মারুফ আকিব, তানভির তনু, চিত্রনায়িকা জিনিয়া এবং চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ জহিরুল ইসলাম রিপন ও রাজু আহমেদসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
কর্মসূচির শুরুতে শহীদ জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিএফডিসি জাতীয়তাবাদী এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments