শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য ভূমিকার কথা স্মরণ করেছে ভারত। ১৯৭১ সালের মার্চে দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক বেতার ভাষণের কথা উল্লেখ করে তাঁকে ‘বাংলাদেশের অন্যতম সাহসী সন্তান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে দেশটি।
শনিবার (৩০ মে) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়।
ভারতীয় হাইকমিশনের বার্তায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের মার্চে জিয়াউর রহমানের দেওয়া সেই বিখ্যাত রেডিও ভাষণটি ছিল তৎকালীন পরিস্থিতির এক সন্ধিক্ষণ। এতে বলা হয়, “বাংলাদেশের মানুষ আজ তাদের জাতির অন্যতম সাহসী সন্তান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে স্মরণ করছে। এ সময়ে আমরাও ১৯৭১ সালের মার্চে দেওয়া তাঁর বিখ্যাত বেতার ভাষণের কথা স্মরণ করছি। সেই ভাষণ তৎকালীন সময়ে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করেছিল এবং জাতীয় মুক্তির পথকে সুগম করেছিল।”
বার্তায় আরও বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমানের কণ্ঠ পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং এটি ছিল মুক্তিপাগল মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার এক অনন্য উৎস।
মুক্তিযুদ্ধের যৌথ ত্যাগের ইতিহাস স্মরণ করে ভারত জানিয়েছে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত সব সময় বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে।
বার্তায় বলা হয়, “১৯৭১ সালের মতো আজও বাংলাদেশের জনগণের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারত। দুই দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন যাত্রায় আমাদের সেই ঐতিহাসিক সম্পর্ক আজও অটুট রয়েছে।”
উল্লেখ্য, আজ ৩০ মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে শাহাদাত বরণ করেন তৎকালীন এই রাষ্ট্রপ্রধান। মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাঁকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।




Comments