বাংলাদেশের উন্নয়নে বড় ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে চীন: মির্জা ফখরুল
চীনকে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, "চীন ক্রমাগত উন্নতির শিখরে পৌঁছাচ্ছে। দেশটি তার নিজস্ব জনগণের কল্যাণের পাশাপাশি এখন বাংলাদেশের রাস্তাঘাট, ব্রিজ ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণসহ সার্বিক উন্নয়নে বড় ধরনের সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।"
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে চীন সরকারের পক্ষ থেকে স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চীনা রাষ্ট্রদূতের সাথে ব্যক্তিগত সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, "আমি দুবার চীন সফর করেছি এবং সেই সুবাদেই রাষ্ট্রদূতকে বিশেষভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে দাওয়াত করে নিয়ে এসেছি। আমরা এখানে নতুন নতুন শিল্প-কলকারখানা তৈরি করতে চাই। চীনা রাষ্ট্রদূত আমাদের এই শিল্পায়নের কাজে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।"
তিনি আরও জানান, আগামী বছর চীনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ঠাকুরগাঁওয়ে এসে বিনিয়োগ ও শিল্প স্থাপনের রূপরেখা চূড়ান্ত করবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চীনের রাষ্ট্রদূত মিস্টার ইয়াও ওয়েন বলেন, "বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ। তিনি দেশের কল্যাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। চীন সরকার সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছে।" ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষিজমি ও সম্ভাবনার প্রশংসা করে তিনি শিক্ষার্থীদের চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।
অনুষ্ঠানে চীন সরকারের সৌজন্যে এলাকার মোট ৬ হাজার ৫০০ জন শিশু শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এর আগে সকালে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতকে লাল গালিচা সংবর্ধনা, পুষ্প বৃষ্টি এবং আদিবাসী নারীদের ঐতিহ্যবাহী নৃত্যের মাধ্যমে জমকালো অভ্যর্থনা জানানো হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাইরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন— জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী এবং ইএসডিও-র নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments