চীনে তিন দিনের অত্যন্ত সফল ও ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় সফর শেষে বেইজিং ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
প্রধানমন্ত্রীর সাথে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও একই ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন।
এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি দীর্ঘমেয়াদি ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বে’ উন্নীত করার বিষয়ে দুই নেতা ঐকমত্য পোষণ করেন। এছাড়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা, নতুন অর্থনৈতিক করিডোর এবং প্রযুক্তিখাতে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই দুই দেশের বন্ধুত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে এই চার দিনের সরকারি সফরে গত রোববার (২১ জুন) ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই বিদেশ সফর শুরু হয়েছিল মালয়েশিয়া দিয়ে। এরপর তিনি চীনের দালিয়ান শহরে ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম’ (ডব্লিউইএফ)-এর সামার দাভোস ২০২৬-এ অংশ নেন। দালিয়ানে দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে গত বুধবার বিকেলে তিনি বেইজিং পৌঁছান।
সফরের শেষ পর্যায়ে বেইজিংয়ে তাঁকে দেওয়া উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এই সফরটি এক বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments