২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আলোচনায় থাকা ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেনের মাঠের বাইরের জীবনও কম আকর্ষণীয় নয়। ছোটবেলার বন্ধু কেটি গুডল্যান্ডের সঙ্গে তার প্রেমের গল্প যেন এক রূপকথার বাস্তব রূপ।
পূর্ব লন্ডনের লার্কসউড প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময়ই প্রথম পরিচয় হয় হ্যারি কেন ও কেটি গুডল্যান্ডের। পরে একই স্কুলে পড়াশোনার সময় তাদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়। দীর্ঘদিনের সেই বন্ধুত্ব ২০১২ সালে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।
খ্যাতি ও সাফল্যের চাপের মধ্যেও তাদের সম্পর্ক অটুট ছিল। কেন একাধিকবার বলেছেন, ছোটবেলার ভালোবাসাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়াকে তিনি নিজের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য মনে করেন। তার ভাষায়, কেটি তার পুরো ক্যারিয়ার খুব কাছ থেকে দেখেছেন এবং সবসময় পাশে থেকেছেন।
কেটি গুডল্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর পেশাদার ফিটনেস কোচ হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১৭ সালে বাহামাসে ছুটি কাটানোর সময় এই জুটির বাগদান হয়। এরপর ২০১৯ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের সময় কেন কেটিকে তার ‘সেরা বন্ধু’ ও ‘আত্মার সঙ্গী’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
বর্তমানে চার সন্তানকে নিয়ে সুখী সংসার তাদের। হ্যারি কেনের মতে, পরিবারের ভালোবাসা ও কেটির অবিচল সমর্থনই তাকে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে এবং সাফল্যের মধ্যেও বিনয়ী থাকতে সাহায্য করেছে।
স্কুলজীবনের বন্ধুত্ব থেকে শুরু হয়ে আজীবনের দাম্পত্যে পৌঁছানো হ্যারি কেন ও কেটি গুডল্যান্ডের এই ভালোবাসার গল্প প্রমাণ করে, সত্যিকারের সম্পর্ক সময়ের পরীক্ষায় আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে।




Comments