Image description

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের শেষ বিদায় জানাতে ঢল নেমেছে সাধারণ মানুষের।

আজ শুক্রবার ভোরে তাদের মরদেহ তেহরানের ঐতিহাসিক ইমাম খোমেনী গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নিয়ে আসা হলে সেখানে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশের। প্রিয় নেতা এবং তার স্বজনদের কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই ভিড় করেন লাখো মানুষ।

গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা নিহত হন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মসজিদে প্রদর্শনের জন্য রাখা কফিনগুলোর মধ্যে আলী খামেনির জামাতা মেসবাহ-উল-হোদা বাঘেরি, তার বড় মেয়ে সাইয়্যেদাহ বুশরা হোসাইনি খামেনি, পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল এবং তার ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির মরদেহ রয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ছোট কফিনের সামনে একটি শিশুর ছবি প্রদর্শন করা হচ্ছে। যা খামেনির ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির। সেখানে রাখা প্রতিটি কফিনই ইরানের জাতীয় পতাকার রঙে রাঙানো ছিল।

দুই দিনব্যাপী সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহগুলো গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রধান প্রার্থনা কক্ষে রাখা হয়েছে। প্রথম দফায় বিদেশি কূটনীতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা এসে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

সূত্র : সিএনএন

মানবকণ্ঠ/এমআর