মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইনে ছয় দেশের অংশগ্রহণে বৃহৎ সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে। আগামী তিন দিন এ মহড়া চলবে। যুদ্ধের প্রস্তুতি জোরদার করতেই দেশগুলো এ মহড়ার আয়োজন করেছে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাহরাইনের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর সশস্ত্র বাহিনী এ মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। ইতোমধ্যে মহড়াটি শুরু হয়েছে।
দেশটির চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধিয়াব বিন সাকর আল-নুয়াইমি বলেন, ২৮ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ‘বাহরাইন শিল্ড’ মহড়ার লক্ষ্য যুদ্ধের প্রস্তুতি বৃদ্ধি, অভিযানের উন্নত কৌশল আয়ত্ত করা এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা।
তিনি বলেন, জিসিসি সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী যৌথ উপসাগরীয় সামরিক বাহিনীর সক্ষমতার প্রতিফলন।
তিনি আরও বলেন, এই মহড়া সামরিক সংহতির জন্য একটি শক্তিশালী কৌশলগত ভিত্তি তৈরি করবে এবং যেকোনও আক্রমণের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার সক্ষমতাকে আরও সুসংহত করবে।
আল-নুয়াইমি বলেন, এ অঞ্চলের সাম্প্রতিক সহিংসতা যৌথ প্রতিরক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালো করেছে। অঞ্চলজুড়ে সাম্প্রতিক হামলাগুলো যৌথ সামরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করে তুলেছে।
এর আগে বাহরাইনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, এ মহড়ার মূল লক্ষ্য উপসাগরীয় অঞ্চলের যৌথ সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা, বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বিনিময় এবং যৌথ সামরিক ব্যবস্থাগুলোর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা।
উল্লেখ্য, জিসিসির সদস্য দেশ ছয়টি। এগুলো হলো বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান এবং কাতার।
সূত্র: আল-জাজিরা
মানবকণ্ঠ/এমআর




Comments