একের পর এক গোলে মৌসুমে দুর্দান্ত সূচনা করেছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তবে হঠাৎই হাঁটুর চোটে ছিটকে পড়েছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। চোটটি গুরুতর আকার নেওয়ায় তাঁর মাঠে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, তাঁর ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ-এর মেডিকেল টিম চোটের যথাযথ সমাধান দিতে পারেনি। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিজ দেশ ফ্রান্স-এ গেছেন এই তারকা ফুটবলার।
গত সপ্তাহে ফ্রান্সে গিয়ে কয়েকজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এমবাপে। ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া বাঁ হাঁটুর চোট এখনও পীড়া দিচ্ছে তাকে। এই চোটের কারণে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্লে অফে বেনফিকার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারেনি তিনি। চোটের কোনো উন্নতি না হওয়ায় ফ্রান্সে বিশেষজ্ঞদের কাছে যাচ্ছেন এমবাপে। রিয়াল মাদ্রিদও তাঁর এই ভ্রমণের অনুমতি দিয়েছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানিয়েছে, এমবাপে রিয়াল মাদ্রিদের মেডিকেল টিমের পরিষেবায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। তাঁর মতে, গত তিন মাসে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাবটি চোটের সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে পারফরম্যান্সেও। পাশপাশি তাকে প্রতিনিয়ত দলের বাইরেও থাকতে হচ্ছে। এমবাপ্পে বিশ্বাস করেন, বাইরে থেকে অন্য বিশেষজ্ঞের মতামত তার চিকিৎসা ও সুস্থতার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করতে পারে।
গত ৭ ডিসেম্বর সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে ম্যাচে এমবাপে ইর্ন্টানাল ল্যাটারাল লিগামেন্টে সমস্যা অনুভব করেছিলেন, তবে এখন পোস্টেরিয়র ক্রুশিয়েট লিগামেন্ট –এর সমস্যা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। চোটের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করা হলে আরও আগেই লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা সম্ভব হত। সেটা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মাদ্রিদ ছেড়ে নিজ দেশেই পরামর্শ নেওয়া যুৎসই মনে করছেন এমবাপে।
চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচে অনিশ্চিত এমবাপে। রিয়াল মাদ্রিদ ও এমবাপ্পের লক্ষ্য স্পষ্ট: চ্যাম্পিয়নস লিগের পরবর্তী রাউন্ডের জন্য শতভাগ প্রস্তুত থাকা। প্রথম লেগ ১১ মার্চ, এবং দ্বিতীয় লেগ হবে ১৮ মার্চ।
২০২৫-২৬ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে ৩৬ ম্যাচে ৩৯ গোলে সঙ্গে পাঁচটি অ্যাসিস্ট করেছেন এমবাপে। এরমধ্যে লা লিগায় ২৩ গোল করে আছেন গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে।
এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগেও সর্বোচ্চ গোল ২৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডেরও। ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতায় ৮ ম্যাচেই করেছেন ১৩ গোল।




Comments