Image description

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান রাজনীতিতে নাম লিখেছিলেন আওয়ামী লীগের মাধ্যমে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হয়েছিলেন সংসদ সদস্যও। তবে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে রাজনৈতিক কারণে দেশেও ফিরতে পারছেন না দেশের শীর্ষ ক্রিকেটার।

এমন অবস্থায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয় নির্বাহী আদেশে। অন্তর্বতী সরকারের সেই আদেশ এখনো বহাল আছে। সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সচল হলে আবারও রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন।  

দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, 'যেহেতু আমাদের দলের (আওয়ামী লীগ) কার্যক্রম নাই সেহেতু চেষ্টা করছি ক্রিকেটটা খেলে যাওয়ার। দলের যখন কার্যক্রম যখন শুরু হবে বা আমরা করতে পারবো তখন হয়তো আবার চেষ্টা করবো রাজনীতিটা করার।'

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছি ভবিষ্যতে একটি স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে যেখানে সব দল সমান সুযোগ পাবে এবং জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে তারা কাকে চায়।’

সাকিবের মতে, ‘রাজনীতি তো ধরেন আমৃত্যু করা যায়, রাজনীতিতে অনেক সময় আছে। যেটার সময় নেই সেটা হলো ক্রিকেট। এটা আগে ঠিক করার চেষ্টা করছি। রাজনীতি একটি বড় প্ল্যাটফর্ম যেখান থেকে বড় ধরণের পরিবর্তন আনা সম্ভব।’

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার