বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে সমালোচনার মুখে পড়েছিল স্পেন। তবে সেই হতাশা খুব বেশি দিন স্থায়ী হলো না। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে সৌদি আরবের বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিল ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচে ৪-০ গোলের বড় জয় পেয়ে স্পেন যেন আবারও মনে করিয়ে দিল—তারা বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে স্পেন। অন্যদিকে সৌদি আরব রক্ষণাত্মক কৌশলে ৫-৪-১ ফরমেশনে খেললেও তা স্প্যানিশ আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি।
মাত্র ১০ মিনিটেই প্রথম গোল পায় স্পেন। বাম প্রান্ত দিয়ে এগিয়ে গিয়ে মিকেল ওইয়ারসাবাল বক্সে নিচু ক্রস দেন, আর সেখানে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল। এটি ছিল তার বিশ্বকাপে প্রথম গোল।
২১ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। কর্নার থেকে আসা বল ফ্লিকে বক্সে পৌঁছায় এবং শেষ পর্যন্ত ঠান্ডা মাথায় জালে জড়ান ওইয়ারসাবাল। তিন মিনিট পর আবারও আঘাত হানে স্পেন। দানি ওলমোর অ্যাসিস্টে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন ৩-০ করেন ওইয়ারসাবাল।
প্রথমার্ধে একতরফা আধিপত্য দেখায় স্পেন, যেখানে মাঝমাঠে রদ্রি পুরো ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেন তার স্বাভাবিক ছন্দে।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি গোল পায় স্পেন। ৪৯ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তাম্বাকতির গায়ে লেগে আত্মঘাতী গোলে পরিণত হয়।
এরপরও স্পেন আক্রমণ চালিয়ে যায়। ফেরান তোরেস ও পিনো সুযোগ পেলেও গোল বাড়ানো সম্ভব হয়নি। শেষদিকে ভিএআর চেকের কারণে একটি গোল বাতিলও হয়।
পুরো ম্যাচে সৌদি আরব বড় কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি। বিপরীতে বল দখল, পাসিং আর আক্রমণে স্পেন ছিল সম্পূর্ণ আধিপত্যশীল।
এই জয় স্পষ্ট করে দিয়েছে—প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতা ছিল শুধুই একটি ভুল পদক্ষেপ। বর্তমান ছন্দে থাকা স্পেন সত্যিই বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার।




Comments