Image description

পাকিস্তানের বিপক্ষে দাপুটে জয় দিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ৯০ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। এই জয়ের পথে একাধিক রেকর্ডও গড়েছে ক্যারিবীয় দল।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে শাই হোপের ৯২ ও কেভিন হজের ৮৪ রানের ইনিংসে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

জবাবে শান মাসুদের দুর্দান্ত ১০৯ রানের সেঞ্চুরিতে একসময় ৩ উইকেটে ২৪৪ রান তুলেছিল পাকিস্তান। তবে এরপর মাত্র ৩৮ রানের মধ্যে শেষ সাত উইকেট হারিয়ে ২৮২ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ফলে প্রথম ইনিংসে ২৯ রানের লিড পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকরা ১৮১ রানে গুটিয়ে গেলেও পাকিস্তানের সামনে ২১১ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। তবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অধিনায়ক বাবর আজম ৫৮ রানে অপরাজিত থাকলেও অন্য ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মাত্র ১২০ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। ফলে ৯০ রানের জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

এই জয়ে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য রেকর্ড গড়েছে ক্যারিবীয়রা। টেস্ট ক্যারিয়ারে চতুর্থবারের মতো পাঁচ উইকেট শিকার করেন পেসার জেডেন সিলস। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে জেসন হোল্ডারের পর ঘরের মাঠে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে কোনো ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেসারের এটিই প্রথম পাঁচ উইকেটের কীর্তি।

এছাড়া ক্যারিবীয় অঞ্চলের টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথম একটি ম্যাচের ৪০টি উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা। বিশ্ব টেস্ট ক্রিকেটে এমন ঘটনা ঘটল মাত্র ষষ্ঠবার।

অন্যদিকে, ২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হেরে যাওয়ায় এটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান তাড়ার ব্যর্থতা। এর আগে ২০১৭ সালে ব্রিজটাউনে ১৮৮ রানের লক্ষ্যও টপকাতে পারেনি তারা।

চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তানের ১২০ রানে অলআউট হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের পঞ্চম সর্বনিম্ন টেস্ট ইনিংস। পাশাপাশি ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের পর দেশের বাইরে টানা অষ্টম টেস্টে হারল পাকিস্তান, যা বিদেশের মাটিতে তাদের ইতিহাসের দীর্ঘতম টানা হারের রেকর্ড।