Image description

দেশে ক্রমবর্ধমান ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলোকে সমাজের দীর্ঘদিনের নৈতিক অবক্ষয় এবং মানবিক মূল্যবোধের পতনের এক ভয়াবহ প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জাতীয় সামাজিক আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন।

মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বর্তমানে ঘটে যাওয়া ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি মূলত বহু বছর ধরে চলতে থাকা সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং নৈতিক স্খলনের ফল। তিনি বলেন, “আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব এবং একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করব, যেখানে আমাদের সন্তানরা ভয়হীনভাবে বেড়ে উঠতে পারবে।”

মন্ত্রী তাঁর পোস্টে জোর দিয়ে বলেন যে, এই সংকট নিরসনে শুধু কঠোর আইন বা সরকারের একক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন পরিবার, বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, গণমাধ্যম এবং সামাজিক সংগঠনসহ প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত অংশগ্রহণ।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ছেলেমেয়েদের ছোটবেলা থেকেই সম্মান, মানবিকতা এবং নারীর মর্যাদা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করা।” পরিবর্তনের এই সংগ্রামে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষ করে পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যার মতো পৈশাচিক ঘটনাগুলোর প্রেক্ষাপটে মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্য নাগরিক সমাজে নতুন করে সচেতনতার তাগিদ দিচ্ছে।

মানবকণ্ঠ/আরআই