Image description

কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের প্রার্থিতা নিয়ে দাখিল করা আইনি চ্যালেঞ্জের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে। আপিল বিভাগের আদেশের মাধ্যমে তার প্রার্থিতা বহাল থাকায় সব ধরনের আইনি জটিলতার অবসান ঘটেছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা কায়কোবাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। তবে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ তুলে একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।

নির্বাচন কমিশন উভয় পক্ষের বক্তব্য ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে অভিযোগের যথেষ্ট ভিত্তি না পাওয়ায় আপিল খারিজ করে দেয়। ফলে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল থাকে।

ইসির সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে ইউসুফ সোহেল বাংলাদেশ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্টও রিট খারিজ করে দেন এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।

পরবর্তীতে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করা হয়। সর্বশেষ শুনানিতে আদালত সেই লিভ টু আপিলও খারিজ করে দেন। এর ফলে কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা নিয়ে আর কোনো আইনি জটিলতা রইল না।

এ বিষয়ে মুরাদনগর বাজারের ব্যবসায়ী আখতার হোসেন বলেন, “কায়কোবাদ মুরাদনগরের ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামায়াতের প্রার্থীর বিজয়ের আশা নেই। তাই তারা ষড়যন্ত্র করে প্রার্থিতা বাতিলের চেষ্টা করেছে।”

প্রসঙ্গত, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই আইনি লড়াই দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। আদালতের সর্বশেষ আদেশে এখন নির্বাচনী মাঠে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথই উন্মুক্ত হলো।