Image description

রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে গভীর রাতে মোটরসাইকেলে দুই যুবকের মাঝে অচেতন অবস্থায় থাকা সেই তরুণী জীবিত আছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে টঙ্গী পশ্চিম থানায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে তিনি ওই রাতের ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন এবং তার মৃত্যুর গুজবটি নাকচ করে দেন।

থানায় উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের ওই তরুণী জানান, পারিবারিক চাপের কারণে তিনি মানসিক অস্থিরতায় ভুগছিলেন। গত বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে উত্তরার জসীমউদ্দীন এলাকার একটি বারে গিয়ে মদ্যপান করেন। 

তিনি বলেন, "আমাকে কেউ জোর করে মদ খাওয়ায়নি, আমি নিজেই খেয়েছিলাম। এরপর আমি অসুস্থ ও মাতাল হয়ে পড়ি। খবর পেয়ে আমার এক চাচা এসে আমাকে নিয়ে যান। মোটরসাইকেলে ওঠা পর্যন্ত আমার জ্ঞান ছিল, এরপর আর কিছু মনে নেই।"

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, "আমার সাবেক স্বামী পরিকল্পিতভাবে আমার মৃত্যুর মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে। আমি যে মরিনি এবং বেঁচে আছি—সেটি জানাতেই থানায় এসেছি।"

টঙ্গী পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজহার ইসলাম জানান, ওই তরুণী থানায় এসে পুলিশকে জানিয়েছেন—বোনের সঙ্গে অভিমান করে তিনি বারে গিয়েছিলেন। সেখানে অতিরিক্ত মদ্যপানে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তার পরিচিতরা তাকে বোনের বাসায় না নিয়ে বন্ধুর বাসায় নিয়ে যান। মৃত্যুর গুজব শুনেই তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে থানায় আসেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার রাত ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে একটি মোটরসাইকেলে দুই যুবকের মাঝে নিস্তেজ অবস্থায় ওই তরুণীকে বসে থাকতে দেখে সেটির ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেন ওমরাহ ফেরত এক মাদ্রাসা পরিচালক। মুহূর্তেই সেই ভিডিও ভাইরাল হয় এবং তরুণীর মৃত্যু হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

ডিআর